ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসির সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের ১২ আগস্ট পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৩ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৯২ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪১ টাকা ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৬০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৬০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৫৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৪১ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও বাকি ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরেও কোম্পানি ৬ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৭৫৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৮২ লাখ ৩৬ হাজার ২৬৭। এর ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৫ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৫ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।